1. [email protected] : আল আহাদ নাদিম : A.K.M. Al Ahad Nadim
  2. [email protected] : আশিকুর রহমান খান : Ashikur Rahman Khan
  3. [email protected] : আবুবকর আল রাজি : Abubakar Al Razi
  4. [email protected] : আদনান হোসেন : Adnan Hossain
  5. [email protected] : আফসানা মিমি : Afsana Mimi
  6. [email protected] : আঁখি রহমান : Akhi Rahman
  7. [email protected] : অমিক শিকদার : Amik Shikder
  8. [email protected] : আমজাদ হোসেন সাজ্জাদ : Amjad Hossain Sajjad
  9. [email protected] : অনুপ চক্রবর্তী : Anup Chakrabartti
  10. [email protected] : আশা দেবনাথ : Asha Debnath
  11. [email protected] : আতিফ সালেহীন : Md Atif Salehin
  12. [email protected] : মোঃ আতিকুর রহমান : Md Atikur Rahman
  13. [email protected] : Md Atikur Rahman : Md Atikur Rahman
  14. [email protected] : আব্দুর রহিম : Abdur Rahim Badsha
  15. [email protected] : এস. মাহদীর অনিক : Sulyman Mahadir Anik
  16. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : Md Nurul Amin Sikder
  17. [email protected] : নিলয় দাস : Niloy Das
  18. [email protected] : এমারত খান : Emarot Khan
  19. [email protected] : ফারিয়া তাবাসসুম : Faria Tabassum
  20. [email protected] : ফারাজানা পায়েল : Farjana Akter Payel
  21. [email protected] : ফাতেমা খানম ইভা : Fatema Khanom
  22. [email protected] : gafur :
  23. [email protected] : জব সার্কুলার স্টাফ : Job Circular Staff
  24. [email protected] : হাবিবা বিনতে হেমায়েত : Habiba Binte Namayet
  25. [email protected] : হাসান উদ্দিন রাতুল : Hasan Uddin Ratul
  26. ebrahimh[email protected] : মোঃ ইব্রাহিম হিমেল : Md Ebrahim Himel
  27. [email protected] : Jannat Akter ripa 11 :
  28. [email protected] : জয় পোদ্দার : Joy Podder
  29. [email protected] : জুয়াইরিয়া ফেরদৌসী : Juairia Ferdousi
  30. [email protected] : kaiumregan :
  31. [email protected] : এল. মিম : Rahima Latif Meem
  32. [email protected] : Lamiya :
  33. [email protected] : মোঃ মানিক মিয়া : Md Manik Mia
  34. [email protected] : Mashuque Muhammad : Mashuque Muhammad
  35. [email protected] : মোঃ আশিকুর রহমান : MD ASHIKUR RAHMAN
  36. [email protected] : রেদোয়ান গাজী : MD. Redoan Gazi
  37. [email protected] : Md.sumon :
  38. [email protected] : mdtanvirislam360 :
  39. [email protected] : মিকাদাম রহমান : Mikadum Rahman
  40. [email protected] : মাহমুদা হক মিতু : Mahmuda Haque Mitu
  41. [email protected] : মৌসুমী পাল : Mousumee paul
  42. [email protected] : মৃদুল আল হামদ : Mridul Al Hamd
  43. [email protected] : নজরুল ইসলাম : Nazrul Islam
  44. [email protected] : এন এইচ দ্বীপ : Nahid Hasan Dip
  45. [email protected] : Nurmohammad :
  46. [email protected] : Nurmohammad Islam :
  47. [email protected] : পায়েল মিত্র : Payel Mitra
  48. [email protected] : প্রজ্ঞা পারমিতা দাশ : Pragga Paromita Das
  49. [email protected] : প্রান্ত দাস : pranto das
  50. [email protected] : পূজা ভক্ত অমি : Puja Bhakta Omi
  51. [email protected] : ইরফান আহমেদ রাজ : Md Rabbi Khan
  52. [email protected] : রবিউল ইসলাম : Rabiul Islam
  53. [email protected] : রুকাইয়া করিম : Rukyia Karim
  54. [email protected] : সাব্বির হোসেন : Sabbir Hossain
  55. [email protected] : সাদিয়া আফরিন : Sadia Afrin
  56. [email protected] : সাদিয়া আহম্মেদ তিশা : Sadia Ahmed Tisha
  57. [email protected] : সাকিব শাহরিয়ার ফারদিন : Sakib Shahriar Fardin
  58. [email protected] : সিফাত জামান মেঘলা : Sefat Zaman Meghla
  59. [email protected] : shakilabdullah :
  60. [email protected] : সিদরাতুল মুনতাহা শশী : Sidratul Muntaha
  61. [email protected] : হাসান আল-আফাসি : Hasan Alafasy
  62. [email protected] : সাদ ইবনে রহমান : Shad Ibna Rahman
  63. [email protected] : শুভ রায় : Shuvo Roy
  64. [email protected] : Shuvo dey :
  65. [email protected] : Sikder N. Amin : Md. Nurul Amin Sikder
  66. [email protected] : সৈয়দ মেজবা উদ্দিন : Syed Mejba Uddin
  67. [email protected] : ইসরাত কবির তামিম : Israt Kabir Tamim
  68. [email protected] : তানবিন কাজী : Tanbin
  69. [email protected]il.com : তাইয়্যেবা অর্নিলা : Tayaba Ornila
  70. [email protected] : Toma : Sweety Akter
  71. [email protected] : toshinislam74 :
  72. [email protected] : এম. কে উজ্জ্বল : Ujjal Malakar
বাংলা আর্টিকেল লিখে আয় করুন ঘরে বসে -ফ্রিল্যান্সিং | DigiBangla24.com
সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ১০:১০ অপরাহ্ন

বাংলা আর্টিকেল লিখে আয় করুন ঘরে বসে -ফ্রিল্যান্সিং

বাংলা আর্টিকেল লিখে আয়

বাংলা আর্টিকেল লিখে আয় এখন আর স্বপ্ন নয়, বাস্তবেই সম্ভব। তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে প্রায় সকল কাজই অনলাইন ভিত্তিক। ডিজিটাল মার্কেটিং জগৎ এখন আর্টিকেল রাইটিং এর উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল।

সুতরাং বর্তমান অনলাইন ভিত্তিক মার্কেটিং এর যুগে একজন ভাল মানের আর্টিকেল রাইটারের ফ্রিল্যান্সিং -এ ব্যপক চাহিদা ও সম্ভাবনা রয়েছে।

ডিজিটাল যুগে ক্যারিয়ার বলতে আমারা এখনও সেই পুরোনো ধারনাকে আকড়ে ধরে আছি। যেমনঃ ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, এ্যাডভোকেট কিংবা বিসিএস ক্যাডার। এগুলোর যেকোন একটা না হতে পারলে, আমাদের লাইফটাই ব্যর্থ।

ইন্টারনেট প্রযুক্তির মাধ্যমে যেখানে গোটা পৃথিবী হাতের মুঠোয়, সেখানে আমরা, আমাদের যেকোন প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে ডিজিটাল ক্যারিয়ার গড়ে নিতে পারি।

এখন ডিজিটাল ক্যারিয়ার হতে পারে- ইউটিউবার, ব্লগার, ফ্রিল্যান্সার, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার, আর্টিকেল রাইটার, কন্টেন্ট ক্রিয়েটর, গ্রাফিক্স ডিজাইনার, ওয়েব ডেভলপার, মোশন ভিডিও ক্রিয়েটর ইত্যাদি। এই যুগে এসে আমাদের জ্ঞানের সীমাবদ্ধ ধারনা থেকে বেরিয়ে আসা উচিত।

কীভাবে বাংলা আর্টিকেল লিখে আয় করবেন?

আর্টিকেল লিখে আয় তাও আবার বাংলা আর্টিকেল। তার মানে আপনি শিক্ষার্থী হন, পেশাজীবি, বেকার কিংবা গৃহিণী যেটাই হোন না কেন, আপনি চাইলেই চলমান কাজের পাশাপাশি পার্টটাইম “বাংলা আর্টিকেল লিখে আয়” করতে পারেন।

আমরা প্রতিনিয়ত ফেসবুকে তো লেখালেখি করিই। এখন কাজ হলো ফেসবুকের এই লেখালেখির অভ্যাসটাকে একটু গঠনমূলক ভাবে আয়ত্ব করে বা শিখে উপার্জনের মাধ্যমে রুপান্তর করা। বাংলা আর্টিকেল লিখে আয় করার জন্য কীভাবে পাঠক ফ্রেইন্ডলি আর্টিকেল লিখবেন সে সম্পর্কে ক্লিয়ার ধারনা থাকতে হবে।

অর্থাৎ Turn your Facebook posting passion into profit, but how? এখন আপনার প্রয়োজন শুধু কিছু বিষয়ে জানা, যেমন- আপনি কি নিয়ে লিখবেন, কেন লিখবেন, কীভাবে লিখবেন, কোন ওয়েবসাইটে লিখবেন এবং কি পরিমান আয় করতে পারবেন।

প্রথমেই আসুন কোন ওয়েবসাইটে লিখবেন?

অনেক ওয়েবসাইট আছে যারা নির্দিষ্ট বিষয়ে আর্টিকেল রাইটিং জব অফার করে থাকে। এই আর্টিকেলে যে ওয়েবসাইটির কথা বলা হয়েছে, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এখানে নিয়মিত আর্টিকেল রাইটিং এর মাধ্যমে পার্টটাইম আয় করছে।

ওয়েবসাইটির পজেটিভ দিক হলো আপনার লেখা তারা আপনার নামে, আপনার ছবি ও বায়োগ্রাফিসহ প্রকাশ করে। তারপর আবার লেখার জন্য আপনাকে সম্মানী প্রদান করবে। তবে এই ওয়েবসাইটের জন্য লেখা আর্টিকেল আপনি অন্যকোন ওয়েবসাইটে পুণঃরায় প্রকাশ করতে পারবেন না।

কাজ শুরু করার আগে প্লেস্টোর থেকো দুইটি অ্যাপস ইনস্টল করে নিতে হয়। একটি ব্লোগিং নিউজ পোর্টাল এ্যাপস অন্যটি ফ্রিল্যান্স রাইটারদের পেমেন্ট প্রদানের জন্য ফ্রিল্যান্সার উইং অ্যাপস। তবে ফ্রিল্যান্সার উইং অ্যাপটিতে আর্টিকেল রাইটিং ছাড়াও অনলাইনের বিভিন্ন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জব অফার রয়েছে যার মাধ্যমে আয়ের সুযোগ রয়েছে। অ্যাপস দুইটির ডাউনলোড লিংক আর্টিকেলের শেষ দিকে দেয়া আছে।

আর্টিকেল রাইটিং অ্যাপ ও ফ্রিল্যান্সার উইং অ্যাপ

কী পরিমান আয় করতে পারবেন?

এই ওয়েবসাইটের সম্মানীর পরিমান হলো শব্দ ভিত্তিক ও আর্টিকেলের কোয়ালিটির উপর নির্ভর করে। যেমন- “আমি বাংলা আর্টিকেল লিখে আয় করতে চাই” এখানে ৭টি শব্দ বা ওয়ার্ড রয়েছে। আর্টিকেলের কোয়ালিটি বিবেচনা করে এরা প্রতি ৩০০-১০০০ ওয়ার্ডের আর্টিকেল এর জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমান পেমেন্ট দিয়ে থাকে।

এই আর্টিকেল এর শেষ অংশে পেমেন্ট বিষয়ে বিস্তারিত দেয়া আছে। তবে আপনি চাইলে অনায়াসেই ৩০০০ টাকা থেকে ১০০০০ টাকা বা তারও বেশি মাসে আয় করতে পারবেন।

এটা নির্ভর করে আপনার লেখার উপর। আয়ের পরিমান আমরা জানলাম এখন প্রয়োজন হলো কোন বিষেয়র উপর লিখলে এই ওয়েবসাইটি আপনাকে পেমেন্ট করবে, লেখার জন্য কি কি বিষয়  জানা লাগবে, আর কিভাবে লিখবেন।

কী কী বিষয়ের উপর লিখবেন?

আপনি বিভিন্ন টপিকের উপর বাংলা আর্টিকেল লিখে আয় করতে পারবেন। এই ওয়েবসাইটটির আর্টিকেল লেখার জন্য টপিক বা বিষয়ের কোন সীমাবদ্ধতা নেই। এখন দেখতে হবে আপনার আগ্রহ কোন দিকে।

আপনি যদি বিনোদন প্রিয় হন তাহলে লিখতে পারেন বিনোদন নিয়ে আর্টিকেল। যেমন- বর্তমান সময়ে সেরা ৫ জনপ্রিয় বলিউড অভিনেত্রী, বলিউডে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক নেয়া সেরা ৫ অভিনেতা, এভাবে বিভিন্ন তারকা অথবা চলচ্চিত্র অভিনেত্রী, প্রত্যেকের পৃথক পৃথক বায়োগ্রাফি বা জীবনী, তাদের লাইফস্টাইল, ব্যক্তিগত জীবন এবং বর্তমান খবরাখবর ইত্যাদি ।

শুধুমাত্র এই বিনোদন নিয়ে আপনি চাইলে শতশত আর্টিকেল লিখতে পারেন। অন্যান্য যেসব বিষয় রয়েছে, যা থেকে আপনি আয় করতে পারবেন। যেসব বিষয়ের উপর কিভাবে আর্টিকেল লিখেবেন সেগুলো স্টেপ বাই স্টেপ দেয়া আছে নিচের দিকে।

  • বিষয় বাছাইয়ের জন্য এমন বিষয় বা টপিক নির্বাচন করা উচিত যে বিষয়গুলোতে আপনি খুব বেশি আগ্রহী এবং ভালো জানেন।
  • আপনি যেই বিষয় কোন কিছু দেখতে পেলে জানা বা পড়ার জন্য আগ্রহী হয়ে ওঠেন এবং যেটা জানা, পড়া এবং বোঝার জন্য আপনার কোন ক্লান্তি আসে না।
  • অনলাইন ভিজিটর বা পাঠক কোন কোন বিষয় পড়তে বা জানতে বেশি আগ্রহী সে বিষয়েও লিখতে পারেন।

আপনি যদি শিক্ষক হয়ে থাকেন তাহলে আপনি ছাত্র-ছাত্রীদের যে বিষয়ে পড়ান ওইটাই আপনার বিষয় সে ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা হোক কিংবা গণিত বা ইংরেজি হোক। এটা কোন ব্যাপার না লেখালেখির ক্ষেত্রে সকল বিষয়ের গুরুত্ব সমান। তাহলে আসুন আমরা যে ওয়েবসাইট-এ বাংলা আর্টিকেল লিখে আয় করব, সেটার ক্যাটাগরিগুলো দেখে নেই-

বিনোদন ক্যাটাগরি

হলিউড, বলিউড, টালিউড, ঢালিউড, সেলিব্রেটি, চলচ্চিত্র, নাটক, সেলিব্রেটিদের ব্যক্তিগত জীবন, প্রত্যেকের বায়োগ্রাফি বা জীবনী, তাদের লাইফস্টাইল, ব্যক্তিগত জীবন, বিভিন্ন অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান, এবং বর্তমান খবরাখবর।

খেলাধুলা ক্যাটাগরি

ফুটবল, ক্রিকেট, টেনিস সহ সকল ধরনের খেলা, ক্রীড়া সেলিব্রেটিদের বায়োগ্রাফি, লাইফস্টাইল, ব্যক্তিগত জীবন, চলমান টুর্নামেন্ট, বিভিন্ন জনপ্রিয় ক্লাবের টুর্নামেন্ট ইত্যাদি।

ডিজিটাল ক্যারিয়ার

আউটসোর্সিং, কলসেন্টার জবস, আর্টিকেল বা কন্টেন্ট রাইটিং, এফিলিয়েট মার্কেটিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, অ্যাডসেন্স, ইউটিউব, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, ওয়ার্ডপ্রেস, জুমলা ইত্যাদি বিষয় বা এর উপর টিউটোরিয়াল।

স্বাস্থ্য ও সেবা

কোভিড-১৯, বিভিন্ন হেলথ টিপস- চুল পড়া, শরীর চর্চা, বিউটি টিপস, হেলথ প্রোডাক্ট রিভিউ, ডাক্তার চেম্বার, বিভিন্ন স্পেশালাইজড ডাক্টর, হসপিটাল ইত্যাদি।

শিক্ষা সংক্রান্ত

ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিভিন্ন টিপস, বিষয়ভিত্তিক বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধান, বিদেশে উচ্চ শিক্ষার জন্য প্রস্তুতি, পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি, ক্যারিয়ার ইত্যাদি।

চাকরি বিষয়ক আর্টিকেল

চাকরির জন্য প্রস্তুতি, সিভি রাইটিং টিপস, কভার লেটার লেখার নিয়ম, ইন্টারভিউ টিপস, অনলাইনে চাকরি খোজার নিয়ম, অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন সাবমিট, চাকরির খবর ইত্যাদি।

তথ্য ও প্রযুক্তি

আইটি টিপস এন্ড ট্রিকস, প্রযুক্তি তথ্য, স্মার্টফোন, অ্যাপস, সফটওয়্যার, সফটওয়্যার রিভিউ, গেইমস , গেইমস রিভিউ ইত্যাদি।

ধর্ম ও জীবন

ইসলামের আলোকে জীবন-যাবন সম্পর্কিত আর্টিকেল, বিভিন্ন গাইডলাইন, বিভিন্ন ধর্মীয় বক্তা, তাদের বায়োগ্রাফি, চলমান বিভিন্ন ইসলামিক নিউজ ইত্যাদি।

সাহিত্য ক্যাটাগরি

গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, উপন্যাস, উন্মুক্ত আলোচনা, বিভিন্ন সাহিত্যিকের জীবনী, গ্রন্থ সমালোচনা বা বই রিভিউ, সাহিত্য বিষয়ক বিভিন্ন সংবাদ, অনুষ্ঠান, লেখকদের মতামত ইত্যাদি।

মোটিভেশন ক্যাটাগরি

মনিষীদের জীবনী, শিক্ষামূলক গল্প, শিক্ষনীয় বিখ্যাত উক্তি ইত্যাদি

উল্লেখিত ক্যাটাগরি ছাড়াও আরও অনেক ক্যাটাগরি রয়েছে যখন যেগুলোর কাজ পাবেন তখন সে বিষয়গুলো নিয়ে লিখবেন।

আর্টিকেল বা কন্টেন্ট রাইটিং বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন- নির্দিষ্ট বিষয় (টেকনোলজি, লাইফ স্টাইল, খেলাধুলা, ভ্রমণ ইত্যাদি) নিয়ে আর্টিকেল রাইটিং, সংবাদ আর্টিকেল রাইটিং, রিভিউ আর্টিকেল রাইটিং, অনুবাদক আর্টিকেল রাইটিং।

নিচে বাংলায় আর্টিকেল লেখার জন্য একটি মডেল গাইডলাইন দেয়া হলো যা বাংলা আর্টিকের লিখে আয় করার ক্ষেত্রে গুরত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করবে-

এসইও ফ্রেইন্ডলি আর্টিকেল রাইটিং গাইডলাইন

বাংলা আর্টিকেল রাইটিং খুব কঠিন কিছু না। প্রথম প্রথম কিছু আর্টিকেল লিখতে কষ্ট হতে পারে। কিন্তু একবার আয়ত্ব করতে পারলে দিনে ৫-৭ টি আর্টিকেল লিখতে পারবেন। কারন সবগুলো গঠন এবং কৌশল প্রায় একই রকম।

আজকে আমরা সার্চ ইঞ্জিন বান্ধব আর্টিকেল রাইটিং এর বেসিক বিষয়গুলো শিখবো। যেমনঃ আর্টিকেলের টপিক কীভাবে পছন্দ করতে হয়? কীভাবে টপিকের উপর রিসার্চ করতে হয়, কীওয়ার্ড কী, কীওয়ার্ড কীভাবে কাজ করে, কীওয়ার্ড রিসার্চের গুরুত্ব, আর্টিকেলের মধ্যে কীওয়ার্ডের ব্যবহার, বাংলা আর্টিকেল রাইটিং এর বেসিক স্ট্রাকচার, এসইও ফ্রেইন্ডলি বাংলা আর্টিকেল রাইটিং এর গুরুত্ব, ভালো মানের আর্টিকেল রাইটারের করণীয় ইত্যাদি ইত্যাদি। তাহলে আসুন শুরু করা যাক-

কীভাবে আর্টিকেলের টপিক নির্বাচন করবেন?

বাংলা আর্টিকেল লিখে আয় করতে হলে লেখা শুরুর আগে প্রধান কাজ হলো আপনি যে আর্টিকেলটি লিখতে যাচ্ছেন সেটার টপিক বা সাবজেক্ট নির্বাচন করা।

আর্টিকেলের টপিক নির্বাচনে যে বিষয়টি সম্পর্কে ভালো জানাশুনা, অভিজ্ঞতা ও প্যাশন রয়েছে সেটিকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

যদি আর্টিকেলটির বিষয়বস্তু সম্পর্কিত জ্ঞান ভালো না থাকে তাহলে ভাল মানের আর্টিকেল লেখা আপনার জন্য কঠিন হয়ে যাবে।

শুধু প্যাশনের দিকে নজর দিলেই হবে না, আপনি যে টপিক নিয়ে লিখতে যাচ্ছেন, সে টপিকের আর্টিকেল পড়ার মত অডিয়েন্স কারা। শিক্ষার্থী, চাকুরীজীবী, ব্যবসায়ী, শিক্ষিত না অশিক্ষিত কাদের জন্য আপনি লিখবেন সেটা আগে থেকেই চিন্তা ভাবনা করে রাখা উচিৎ। প্রতি ১০০ জন ইন্টারনেট ইউজার আটিকেলটি দেখলে কতজন পড়তে আগ্রহ প্রকাশ করবে সেটাও ভাবতে হবে।

সুতরাং সবকিছু বিবেচনায় রেখে আর্টিকেলের মেইন কীফ্রেইজ বা টপিক নির্বাচন করলে  লেখার ক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাস বা কনফিডেন্স পাওয়া যাবে। লেখার বিষয়বস্তুর উপর আত্মবিশ্বাস থাকলে লেখা এমনিতেই ভালো হবে।

রিসার্চ বা অনুসন্ধান করা

যে বিষয়ে আপনার কোন ধারনা নেই সে বিষয় নিয়ে লিখতে যাবেন না। যে বিষয় নিয়ে লিখবেন সে বিষয়ের ওপর ভালো দক্ষতা অর্জন ও পর্যাপ্ত তথ্য উপাত্ত সংগ্রহের জন্য আপনাকে প্রচুর সিসার্চ করতে হবে।

আপনার মনে রাখতে হবে যে বিষয়টি নিয়ে লিখতে যাচ্ছেন কোন না কোন লেখক সে বিষয় সস্পর্কে আগে থেকেই লিখে রেখেছে। একই বিষয়ের উপর লিখতে হলে আর্টিকেলে নতুনত্ব নিয়ে আসতে হবে।

নির্বাচিত বিষয়ের উপর বিভিন্ন ডাটা সংগ্রহ করতে পারেন বিভিন্ন উৎস থেকে। এক্ষেত্রে আপনি গুগল, ইবুক, বই, ম্যাগাজিন, বিশ্বাসযোগ্য বাংলা বা ইংরেজি অনলাইন মিডিয়া, উইকিপিডিয়া ইত্যাদির সহযোগিতা নিতে পারেন।

“আর্টিকেলে অনলাইনে অন্যের লেখা আর্টিকেল থেকে হুবাহু কপি করে কোন কিছু লেখা যাবে না। প্রয়োজনে আইডিয়া নিয়ে নিজের মত করে লিখতে হবে। আপনার লেখাটি অবশ্যই ইউনিক হতে হবে। তাহলে গুগল সার্চে আমাদের লেখাটি অনেক বেশি গুরুত্ব পাবে।”

রিসার্চ করার সময় পাঠক আর্টিকেলটি থেকে কী কী তথ্য জানতে চাইবে সেগুলোর দিকে নজর দিতে হবে। আপনি পাঠক হলে ঐ বিষয়বস্তুর উপর কী কী তথ্য জানতে চাইতেন সেগুলো বিবেচনায় রেখেই মেইন মেইন পয়েন্টগুলো আইডেন্টিফাই করতে হবে। পাঠকের প্রশ্নের উত্তর বা সমাধান কত সুন্দর ভাবে আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা উপস্থাপন করতে পারলাম সেটাই মুখ্য বিষয়।

সুতরাং রিসার্চ করার সয়ম সবকিছু বিবেচনায় রেখে আর্টিকেলের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো পয়েন্ট আউট করা উচিৎ। আপনার আর্টিকেলকে তথ্য সমৃদ্ধ করে পাঠকপ্রিয়তা অর্জনের জন্য গবেষণার কোন বিকল্প নাই। প্রথমেই আপনি যে বিষয় লিখতে চান সেটিকে গুগলে সার্চ দিন। গুগল আপনাকে এ বিষয়ে যথেষ্ট সহযোগিতা।

কীওয়ার্ড কী?

লেখা শুরু করার আগে রিসার্চের মাধ্যমে সঠিক একটি কী ওয়ার্ড বাছাই করতে হবে। কী-ওয়ার্ড হচ্ছে একটি শব্দ বা দুই-তিনটি শব্দ মিলে একটি শব্দগুচ্ছ আধুনিক নিয়মে এটাকে কীওয়ার্ড ফ্রেইজও বলা হয়ে থাকে। এই কীওয়ার্ড ফ্রেইজ এর উপর ভিত্তি করেই সমস্ত আর্টিকেলটি লিখতে হবে।

সহজভাবে বলতে গেলে মানুষ ইন্টারনেটে যা লিখে সার্চ করে তাই কীওয়ার্ড।

ধরুন, আপনি ইন্টারনেটের মাধ্যমে আয় করতে চান কিন্তু আপানি জানেন না কীভাবে করতে হয়? আপনি গুগলে বা অন্য যেকোন সার্চ ইঞ্জিনে How to make money online লিখে সার্চ দিলেন। এখানে How to make money online সম্পূর্ণটাই একটি কীওয়ার্ড বা কীওয়ার্ড ফ্রেইজ। অথবা কেউ যদি কোন নির্দিষ্ট স্মার্টফোন সম্পর্কে জানতে চায়, সে গুগলে Samsung Galaxy S20 বা OnePlus 9 Pro লিখে সার্চ দিলো। এখানে Samsung Galaxy S20 ও OnePlus 9 Pro হলো কিওয়ার্ড।

কীওয়ার্ড যেভাবে কাজ করে

ইংরেজি বা বাংলা যেকোন আর্টিকেল লিখে আয় করতে হলে কীওয়ার্ড কীভাবে কাজ করে জেনে রাখা উচিত। আপন যদি OnePlus 9 Pro স্মার্টফোন নিয়ে একটি আর্টিকেল লিখেন। সেক্ষেত্রে স্মার্টফোনটির যাবতীয় ফিচারসহ বিভিন্ন পজেটিভ নেগেটিভ দিক, মূল্য ও অন্যান্য আনুসঙ্গিক বিষয় নিয়ে আর্টিকেলটিতে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরবেন।

আর্টিকেলটির ফোকাস কীওয়ার্ড হবে OnePlus 9 Pro এবং এই কীওয়ার্ডকে কেন্দ্র করেই স্মার্ট ফোনটির যাবতীয় তথ্য উপাত্ত সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করাই আপনার প্রধান কাজ।

এখন গুগল বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন গুলো OnePlus 9 Pro কীওয়ার্ড ফ্রেইজের যতগুলো আর্টিকেল ইন্টারনেটে রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে থেকে সবচেয়ে বেটার ও ইউনিক আর্টিকেল গুলোকে সার্চ র‌্যাংকিং এ প্রাধান্য দিবে।

ফলে কোন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী যদি OnePlus 9 Pro লিখে গুগলে সার্চ করে সার্চ র‌্যাংকিং এ এগিয়ে থাকা আর্টিকেল গুলোকে গুগল প্রথম পেইজে তুলে ধরবে।

আর্টিকেলে কীওয়ার্ড রিসার্চের গুরুত্ব

কীওয়ার্ড রিসার্চ করে আর্টিকেল লিখলে আর্টিকেলটি সার্চ ইঞ্জিন র‌্যাংকিং এ টপে থাকে। সুতরাং পাঠক ও আর্টিকেল রাইটার বা কন্টেন্ট ক্রিয়েটর উভয়ের জন্য কীওয়ার্ড ফ্রেইজ রিসার্চের গুরুত্ব বলে শেষ করা যাবে না।

কীওয়ার্ড বিহীন আর্টিকেল কম্পাস বিহীন জাহাজের মতো। কীওয়ার্ড রিসার্চ হলো আর্টিকেলের জন্য সঠিক এসইও ফ্রেইন্ডলি কীওয়ার্ড নির্বাচন করার প্রক্রিয়া।

অনলাইনে লেখক ও পাঠক উভয়ের মধ্যে কীওয়ার্ড বা কীওয়ার্ড ফ্রেইজ একটি সেতু বন্ধন হিসেবে কাজ করে। কারন তাদের দুই জনের শুরুই হয় কীওয়ার্ড থেকে। একজন রাইটার কীওয়ার্ড নির্বাচনের মাধ্যমে আর্টিকেলটি সাজিয়ে গুছিয়ে লিখে অন্য দিকে একজন পাঠক সেই কীওয়ার্ড দিয়েই গুগলে সার্চ করছে। সুতরাং পাঠক ও লেখক উভয়ের শুরুটাই কীওয়ার্ড থেকে।

আর্টিকেল রাইটারদের জন্য কীওয়ার্ড রিসার্চ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলা বা ইংরেজি যেকোন আর্টিকেল লিখে আয় করার জন্য ফ্রি কিওয়ার্ড রিসার্চ প্রক্রিয়া সম্পর্কে লেখকের জানা উচিৎ। ইউটিউবে “How to research keyword for article” লিখে সার্চ দিলে এর শত শত টিউটোরিয়াল পাওয়া যাবে।

যাইহোক আর্টিকেল রাইটং যাবতীয় কিছু একবারে জানা সম্ভব নয়। আপাতত এই আর্টিকেলে যেগুলো উপস্থাপন করা হয়েছে সেগুলো মেনে চললেও হবে। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে বিস্তারিত শিখে নেয়া যাবে।

আর্টিকেলে কীওয়ার্ডের ব্যবহার

কীওয়ার্ড রিসার্চ করলেই সব কাজ শেষ নয়। রিসার্চ থেকে প্রাপ্ত কীওয়ার্ডকে আর্টিকেলে যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে হবে। আর্টিকেলে কীওয়ার্ডের ঘনত্বকে বলা হয় কীওয়ার্ড ডেনসিটি অর্থাৎ আর্টিকেলের কীওয়ার্ডটি আর্টিকেলে কতবার ব্যবহার করা হয়েছে তার শতকরা হার।

ধরুন, OnePlus 9 Pro স্মার্টফোনটি নিয়ে একটি ১০০০ ওয়ার্ডের  আর্টিকেল লিখলেন। এই আর্টিকেলটির কীওয়ার্ড হলো “OnePlus 9 Pro”। এখন আপনি যদি আর্টিকেলটিতে ১০০০ ওয়ার্ডের মধ্যে কীওয়ার্ডটি অর্থাৎ “OnePlus 9 Pro” ১০ বার ব্যবহার করেন তাহলে আর্টিকেলটির কীওয়ার্ড ডেসসিটি হলো ১%।

আর্টিকেলের কিওয়ার্ড ডেনসিটি ১-১.৫% রাখা ভালো এবং কীওয়ার্ড আর্টিকেলে যথাযথ স্থানে ব্যবহার করা উচিত। যেমনঃ টাইটেলে ১ বার, আর্টিকেলের ইন্ট্রো বা প্রথম প্যারায় ১ -২ বার, ভিতরে প্রতি ১০০ ওয়ার্ডের মধ্যে ১-২ বার বা ২০০ ওয়ার্ডের মধ্যে ৩ বার এবং আর্টিকেলের শেষ প্যারায় উপসংহার বা মন্তব্যে ১ বার।

কীওয়ার্ড বা কীওয়ার্ড ফ্রেইজ নির্বাচনের পর আপনার লেখার বিষয়ের একটি আকর্ষনীয় টাইটেল বা শিরোনাম দিতে হবে, অবশ্যই সেটা যেন হয় কী ওয়ার্ড বা কীওয়ার্ড ফ্রেইজকে কেন্দ্র করে। চলুন শুরু করা যাক কীভাবে আমরা আর্টিকেল লিখব নিচে প্রদত্ত ধারাবাহিক নিয়ম অনুযায়ী-

বাংলা আর্টিকেল রাইটিং বেসিক স্ট্রাকচার

বাংলা আর্টিকেল লিখে আয় করুন, আর্টিকেল রাইটিং, বাংলা আর্টিকেল রাইটিং টিপস

১) টাইটেল বা শিরোনাম

২) আর্টিকেল ইন্ট্রো বা ভূমিকা

৩) মূল লেখার বর্ণনা

৪) ফিনিশিং প্যারা বা উপসংহার

১) টাইটেল বা শিরোনামঃ

আর্টিকেলের যে বিষয়টিতে আমরা প্রথমে মনোযোগ দেই তা হলো টাইটেল। টাইটেল বা শিরোনামের উপর ভিত্তি করেই পাঠক সিদ্ধান্ত নেয়, সে আর্টিকেলটি পড়বে কিনা। তার শিরোনাম যথাসম্ভব আকর্ষণীয় ও সুন্দর হতে হবে।

এসইও ফ্রেইন্ডলি শিরোনাম লেখার একটা নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। শিরোনামটি অবশ্যই আপনাকে ৬-৯ শব্দের মধ্যে হতে হবে। এবং এই শব্দগুলোর মধ্যে আপনার লেখার মূল কী-ওয়ার্ডটি থাকতে হবে এবং সেটা টাইটেলের প্রথমে রাখতে পারলে আরও ভালো হয়।

নিচে কিছু উদাহরণ দেয়া হলো-

ক) টাইটেল– “লিওনেল মেসি ফুটবল যাদুকর এর জানা অজানা তথ্য” কী-ওয়ার্ড– লিওনেল মেসি

খ) টাইটেল– “বাংলা আর্টিকেল লিখে আয় করুন -ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার” কী-ওয়ার্ড– বাংলা আর্টিকেল লিখে আয়

গ) টাইটেল-“শিক্ষিত বেকার তৈরি করতে চায় না আর সরকার-শিক্ষামন্ত্রী” কী-ওয়ার্ড– শিক্ষিত বেকার

শিরোনাম বা টাইটেল লেখার সময় একটু চিন্তা ভাবনা করে লিখতে হবে। একই টাইটেলে বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখেন কোনটি ভালো হয়। সঠিক কী-ওয়ার্ড কোনটিতে বেশি কার্যকর সেই টাইটেলটি বাছাই করুন। এখন বলুন তো নীচের কোন টাইটেলটি রিডারকে বেশী আকৃষ্ট করবে?

লিওনেল মেসির জীবনী

লিওনেল মেসি ফুটবল যাদুকর এর জানা অজানা তথ্য

ফুটবলার লিওনেল মেসির বায়োগ্রাফি

লিওনেল মেসি ফুটবল যাদুকর এর জানা অজানা তথ্য” এই টাইটেলটার দিকে পাঠক বেশী আকৃষ্ট হবে। সুতরাং টাইটেল এর ভেরিয়েশন আনা এবং শব্দ চয়ন করাও একটি গুরুত্বপূর্ন বিষয়।

২) আর্টিকেলের ইন্ট্রো বা ভূমিকা

শিরোনামের পর আর্টিকেলের সুন্দর একটা ইন্ট্রো বা ভূমিকা ৪/৫ লাইনের মধ্যে লিখতে হবে। ইন্ট্রোতে আপনি স্বল্প কথায় এমন কিছু লিখবেন যা পাঠক কে সমস্ত আর্টিকেলটি পড়তে আগ্রহী করে তুলে।

অর্থাৎ সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ে পাঠক কি মেসেজ নিয়ে ফিরবে তার সারমর্ম ৪/৫ লাইনে থাকবে। ভূমিকার মধ্যে আর্টিকেলে কী-ওয়ার্ড বা কীওয়ার্ড ফ্রেইজটি যেন অবশ্যই থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে

৩) মূল লেখার বর্ণনা

আর্টিকেলের মূলবিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা সংযোজন করতে হবে এ অংশে। তবে তা অবশ্যই কয়েকটি অনুচ্ছেদের মধ্যে। তবে অপ্রাসঙ্গিক অথবা অপ্রয়োজনীয় কথা দিয়ে আর্টেকেলটি অযথাই বড় করবেন না।

এতে পাঠক তার পড়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। পাঠকের আরও বেশি দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য প্রতিটি অনুচ্ছেদের জন্য একটি নামকরন করুন। এসইও এর নিয়ম হলো কোন অনুচ্ছেদ যদি ৩০০ শব্দের বেশি হয় তাহলে উক্ত অনুচ্ছেদের একটি আলাদা টাইটেল যুক্ত করুন।

অনুচ্ছেদের মধ্যে সংযোগ স্থাপন

অনুচ্ছেদের এক অংশের সাথে আরেক অংশের সংযোগ স্থাপন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই অনুচ্ছেদের মধ্যে সংযোগ মূলক কিছু কথা লিখুন যাতে পাঠকের মনোযোগ ধরে রাখা যায়।

ছবি সংযোজন

কথায় আছে, একটি ছবি হাজারো শব্দের সমান। আটিকেলের বিষয়বস্তু রিলেটেড ছবি সংযুক্ত করুন যেন আপনার লেখা আর্টিকেলটি আরো প্রানবন্ত হয়ে ওঠে। যেকোন বিষয় সম্পর্কে পরিস্কার ধারনা পেতে ছবি অনেক সহযোগিতা করে। ভিজিটর লেখাটি পড়তে আরও বেশি আগ্রহী হয়ে ওঠে।

৪) ফিনিশিং প্যারা বা উপসংহার

এটি আর্টিকেলের সর্বশেষ অংশ। এই অংশে আপনার চুড়ান্ত মতামত, মন্তব্য, পরামর্শ উপস্থাপন করুন। পাঠকদের কিছু কাজ দিয়ে দিন যেমন-কমেন্ট, শেয়ার আর্টিকেল, সাবসক্রাইব নিউজলেটার, ডাউনলোড অ্যাপস, পেইজ ভিজিট ও অন্যান্য।

তবে মনে রাখতে হবে, উপসংহারে যেন, কী-ওয়ার্ড বা কীওয়ার্ড ফ্রেইজটি আরেকবার আসে

তথ্য সূত্র উল্লেখ করুনঃ

আপনি আর্টিকেলটি লেখার জন্য যেসব জায়গা থেকে আইডিয়া নিয়েছেন অবশ্যই সেসব ওয়েবসাইট, ব্লগ, বই ইত্যাদি এর নাম তথ্যসূত্রে উল্লেখ করবেন। এটা আপনার নৈতিক দায়িত্ব সেই সাথে কপিরাইট আইন থেকেও সেইভ থাকবেন।

অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় ছাত্ররা বিভিন্ন একাডেমিক বই অথবা ই-বুক থেকে আইডিয়া নেয়, সেক্ষত্রে অথরকে লেখার শেষে উপযুক্ত ক্রেডিট দিতে হবে।

এতক্ষন আমরা আর্টিকেল লেখার একটা বেসিক আইডিয়া পেলাম। পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য, আর্টিকেলের প্রতিটি ধাপেই, সুন্দর ও আকর্ষণীয় তথ্য দিয়ে আর্টিকেলকে অর্থবহ করে তুলতে হবে। আর্টিকেল এমনভাবে লিখুন, “যেন আপনি পাঠকের সাথে সরাসরি কথা বলছেন”। একজন লেখক হিসেবে নয়, পাঠকের দৃষ্টিকোণ বিচার-বিশ্লেষন করে তবেই লিখুন।

এসইও ফ্রেইন্ডলি কন্টেন্ট বা আর্টিকেলের গুরুত্ব

এসইও ফেইন্ডলি কন্টেন্ট অর্থাৎ সার্চ ইঞ্জিন বান্ধব কন্টেন্ট বা আর্টিকেল লেখা খুবই গুরুত্বপূর্ন। আপনি যতই যত ভালো লেখেন কোন লাভ নেই। আপনার আর্টিকেলটি যদি সার্চ ইঞ্জিন বান্ধব না হয়, তাহলে তা সাগরের তলদেশেই পড়ে থাকবে। সার্চ ইঞ্জিন থেকে কোন ইউনিক ভিজিটর পাবেন না।

সেক্ষেত্রে আপনি মহাজ্ঞানী কিংবা অক্সফোর্ড এর ছাত্র বা শিক্ষক হলেও কোন সমস্যা নেই, বাক্যটি হয়ত আপনার ভালো লাগে নি। কিন্তু এটাই বাস্তব, গুগল বোট তার নিজস্ব নিয়ম বা অ্যালগরিদম মেনে চলে।

আপনাকে গুগল বোটের নিয়ম বা অ্যালগরিদম ফলো করতে হবে। তাই আপনার লেখা আর্টিকেলটি যেন সার্চ ইঞ্জিন বান্ধব হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে।

শুরুর দিকে এতকিছু মাথায় না নিলেও হবে। শুধু নিচের নিয়ম অনুযায়ী লিখলেই চলবে। আপনি চাইলে খুব সহজেই একটি আর্টিকেল লিখে ফেলতে পারেন। কিন্তু এসইও ফ্রেইন্ডলি একটি ভাল মানের আর্টিকেল লিখতে গেলে আপনাকে অবশ্যই রিসার্চ করতে হবে। ইন্টারনেটে অনেক ডাটাবেজ ঘাটাঘাটি করতে হবে।

আবার কপি পেষ্ট করে গুগল বোট কে ফাকি দেয়ার চেষ্টা করবেন না। এড়িয়ে যাওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই। আপনার লেখা আর্টিকেলটি গুগল এর ব্ল্যাকলিস্টে পড়লে, ওই আর্টিকেল আপনি ওয়েবসাইট থেকে পড়তে পারবেন কিন্তু সার্চ করে কেউ পাবে না।

তাই অন্যের লেখা কপি পেস্ট করে কিংবা অন্যের বই থেকে লেখা হুবাহু আপনার নামে চালিয়ে দিবেন এরকম কিছু মাথায় থাকলে, আপনার আর্টিকেল রাইটিং নিয়ে আর সামনে না আগানোই ভালো।

ভাল মানের  আর্টিকেল রাইটার এর করনীয়

একজন ভাল মানের বাংলা আর্টিকেল রাইটার হতে হলে আপনার নিচের বিষয়গুলো মনে রাখতে হবে-

  • আপনার লেখাটি কোথায় প্রকাশিত হতে যাচ্ছে- পত্রিকা, ম্যাগাজিন, ব্লোগ, কর্পোরেট ওয়েবসাইট।
  • কাদের উদ্দেশ্যে লিখছেন- শিক্ষার্থী, কিশোর-কিশোরী নাকি সবার জন্য।
  • আপনার লেখার আলোচ্য বিষয়গুলো প্রথমে ড্রাফট করুন। তারপর সেগুলোকে আর্টিকেলে ধারাবাহিকভাবে লিখুন।
  • বিষয়গুলোর প্রতি খেয়াল রেখে আর্টিকেলের ভাষা ও ধরন ঠিক করুন।
  • ইন্টারনেট এর মাধ্যমে অন্য কোন ওয়েব সাইট থেকে কখনোই লেখা কপি করবেন না, প্রয়োজনে আইডিয়া নিন।
  • আর্টিকেলে কখনোই অতি-ব্যক্তিগত অথবা ইমোশনাল আলোচনা করবেন না।
  • লেখা শুরুর আগে নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর যথেষ্ট রিসার্স করুন।
  • লেখা শেষ করে আপনি নিজে আর্টিকেল বার বার পড়ুন।

বাংলা আর্টিকেল লিখে কি পরিমান আয় করবেন ?

আজকে যে ওয়েবসাইটটির সাথে আপনাকে পরিচয় করিয়ে দেব, সেটি হলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কাজের অনলাইন মার্কেটপ্লেস। এখানে আপনি প্রচুর পরিমানে বাংলা আর্টিকেল লিখে আয় করার জব অফার পাবেন এছাড়াও অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কাজ করে আয়ের সুযোগ পাবেন।

প্রতিটি ৩০০ থেকে ১৫০০+ ওয়ার্ডের আর্টিকেলের জন্য ৫০০ টাকা পর্যন্ত প্রদান করে থাকে। সেটা নির্ভর করবে আপনার আর্টিকেল রাইটিং এর গুনগত মানের উপর।

শুধু তাই নয়, এরপর আপনার লেখা আর্টিকেলটি যদি ১০০০ ইউনিক ভিউ হয় তাহলে স্টার আর্টিকেল নামে লিপিবদ্ধ হবে। এক্ষেত্রে আপনি পাবেন স্টার রিওয়ার্ডস ও বোনাস, এভাবে করে ভিউয়ের উপর আপনি রিওয়ার্ডস ও বোনাস পেতে থাকবেন।

আর্টিকেলের ভিউয়ের উপর আর্টিকেলটি স্টার, টু-স্টার এভাবে করে সেভেন-স্টার পর্যন্ত প্রমোশন পদবী পাবে। প্রতিটি স্টেপেই রয়েছে পৃথক পৃথক রিওয়ার্ডস ও বোনাস। আর্টিকেলের ভিউ বাড়ানোর জন্য, “কীভাবে আর্টিকেলের জন্য ভিজিটর পাবেন?” অংশটি ভালভাবে পড়ুন।

বাংলা আর্টিকেল লিখে আয় করার বেসিক  পরিসংখ্যান

এখন আপনি যদি দিনে দুইটি করে আর্টিকেল লিখেন তাহলে মাসে আপনার লেখা আর্টিকেল হবে ৬০টি । আপনি যদি শুরুতে প্রতিটি আর্টিকেলের জন্য গড়ে ৫০ টাকা পান তাহলে মাসে আসে ৬০*৫০= ৩০০০ টাকা। আর যদি গড়ে ২০০ টাকা করে পান তাহলে প্রতি মাসে আসে ১২০০০ হাজার টাকা। দিনে তিনটি করে লিখেতে পারলে মাসে আসে ১৮০০০ টাকা। এখন আপনি ৩০০০ টাকা আয় করবেন না ৩০০০০ টাকা আয় করবেন সেটা নির্ভর করতেছে আপনার উপর।

তবে কখনোই অন্যের লেখা কপি করবেন না। কপি চেকার  বা প্লেগারিজম চেকারে ধরা খেয়ে যাবেন। সেক্ষেত্রে আপনার মোট উপার্জন পেন্ডিং হয়ে যেতে পারে। সাপোর্ট টিম আপনার ফান্ড আটকিয়ে দিবে।

কীভাবে বাংলা আর্টিকেলের জন্য ভিজিটর পাবেন?

বাংলা আর্টিকেল লিখে আয় করার ক্ষেত্রে আর্টিকেলটি এসইও ফ্রেইন্ডলি হওয়া জরুরী। ভিজিটর পাওয়ার জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি আর্টকেলে দুই ধরনের এসইও হয়। অনপেইজ এসইও এবং অফপেইজ এসইও।

অনপেইজ এসইও এর একটি গাইডলাইন বা স্ট্রাকচার উপরে দেয়া আছে। আপতত উপরের নিয়ম মেনে আর্টিকেল লিখলে চলবে। এছাড়াও অনপেইজ এসইও এর জন্য সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটের সাপোর্ট টিম রয়েছে।

অফপেইজ এসইও এর জন্য আর্টিকেলটি পাবলিষ্ট হওয়ার পর আপনি আপনার টাইমলাইনে শেয়ার করবেন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় আর্টিকেলের বিষয়বস্তু রিলেটেড অনেক গ্রুপ রয়েছে সেখানে শেয়ার করবেন।

বিভিন্ন চ্যাটিং অ্যাপস- মেসেঞ্জার, ইমো, হোয়াটস অ্যাপস ইত্যাদিতে আর্টিকেলটির লিংক বন্ধুদেরকে পাঠাবেন। এসইও এর অনেক টেকনিক রয়েছে এই আর্টিকেলে সাথে থাকলে সেগুলো বিভিন্ন সময়ে পেয়ে যাবেন।

সুবিধা হলো এই সাইটে আপনাকে কোন কাজ বিট করতে হবে না। কাজটি করে সাবমিট করলেই হলো। রেজিস্ট্রেশন করার সাথে সাথে আপনি সাইন আপ বোনাস পাবেন। সেই সাথে কাউকে আর্টিকেল লিখে আর্নিং এর জন্য রেফার করলেও রেফারেল কমিশন পাবেন। এছাড়াও আরও অনেক সুযোগ সুবিধা রয়েছে। তাহলে চলুন কাজ শুরু করার জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করে  প্লেস্টোর থেকে অ্যাপটি ইনস্টল নিন।

বাংলা আর্টিকেল লিখে আয় করার জন্য অ্যাপস ইনস্টল লিংক:

ফ্রিল্যান্সার উইং অ্যাপ বা Fr Wing অ্যাপ

ইনস্টল করার পর অ্যাপটি ওপেন করে রেজিস্ট্রেশন করে নিন। রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ হলে উপরের মেনু থেকে Freelancing Jobs অপশন সিলেক্ট করলে আপনি বিভিন্ন ধরনের আর্টিকেল রাইটিং জব অফার দেখতে পাবেন। প্রত্যেকটি অফারের সাথে কীভাবে আপনি বাংলা আর্টিকেল লিখে আয়  করবেন সে সম্পর্কে বিস্তারিত লেখা আছে।

ব্লগিং নিউজ পোর্টাল অ্যাপ বা DBL24 অ্যাপ

পরবতী আর্টিকেলে আপনারা যে গুরুত্বপূর্ন যে ইনফরমেশনগুলো পাবেন-

  • বাংলা আর্টিকেল লিখে আয় সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য
  • সার্চ ইঞ্জিন বান্ধব আর্টিকেল লেখার টিপস
  • সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সংবাদ আর্টিকেল লেখার বেসিক নিয়ম।

পরবর্তী যাবতীয় ফ্রিল্যান্সিং সংক্রান্ত শিক্ষামূলক ও ইনফরমেটিভ আর্টিকেল পাওয়ার জন্য Facebook Page ফেসবুক পেইজ এবং Facebook Group সাথে যুক্ত থাকুন।

আরও পড়ুনঃ

মাইক্রো ফ্রিল্যান্সিং: ঘরে বসে অনলাইনে অর্থ উপার্জন করুন

বাংলা আর্টিকেল লিখে আয় করুন ঘরে বসে -ফ্রিল্যান্সিং

এই প্রবন্ধটা কি সাহায্যকর ছিল?
হ্যানা

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মন্তব্য লিখুন

11 responses to “বাংলা আর্টিকেল লিখে আয় করুন ঘরে বসে -ফ্রিল্যান্সিং”

  1. Akash Sen says:

    আমি লিখতে চাই।
    কত টাকা হলে পেমেন্ট পাওয়া যায় আর কিভাবে পাবো?

    • Author says:

      ধন্যবাদ, ন্যূনতম পাচশত টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। বিকাশ, নগদ, রকেট বা মাস্টারকার্ড।

  2. তানজুমা নুর says:

    আমি লিখতে চাই,কোথায় লিখব?প্রসেসটা জানালে ভাল হয়।

  3. ভিডিওটি মনোযোগ সহকারে দেখুন আশা উত্তর পেয়ে যাবেন https://www.youtube.com/watch?v=QOqZxqJ2gtQ

  4. afias.art.blog says:

    আমার ইমেইলে কোনো কোড আসে নি।রেজিস্ট্রেশন করেছি। কিন্তু লগইন করতে পারছি না।কি করবো?

  5. ASSRU says:

    আমি স্ব্যাস্থ সেবা নিয়ে লিখতে চাই।এজন্য আমাকে কি করতে হবে?ডিজিবাংলা২৪ এ রেজিষ্ট্রেশন করেছি।এখন আমার পরবর্তী পদক্ষেপ কি?জানালে উপকৃত হবো।ধন্যবাদ

  6. ayesha moni says:

    ami exam deoar jonno prosno gulor uttor khujsi passi na jodi ektu help korten

  7. Md Anoar Hosain says:

    পরিক্ষা দিছি আজকে তিন দিন হয়ে গেছে, কিন্তু এখন ও রেজাল্ট দেয়নাই। অথচ 24 ঘন্টার মধ্যে দেওয়ার কথা। এখন কি রেজাল্ট দিবে কি দিবেনা।

  8. Md. Mofazzal Hossain says:

    অনেক তথ্যবহুল একটা আর্টিকেল। অনেক কিছু শিখলাম। ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো খবর
error: Content is Copyright Protected !