1. [email protected] : আল আহাদ নাদিম : A.K.M. Al Ahad Nadim
  2. [email protected] : আশিকুর রহমান খান : Ashikur Rahman Khan
  3. [email protected] : আবুবকর আল রাজি : Abubakar Al Razi
  4. [email protected] : আদনান হোসেন : Adnan Hossain
  5. [email protected] : আফসানা মিমি : Afsana Mimi
  6. [email protected] : আঁখি রহমান : Akhi Rahman
  7. [email protected] : অমিক শিকদার : Amik Shikder
  8. [email protected] : আমজাদ হোসেন সাজ্জাদ : Amjad Hossain Sajjad
  9. [email protected] : অনুপ চক্রবর্তী : Anup Chakrabartti
  10. [email protected] : armanuddin587 :
  11. [email protected] : আশা দেবনাথ : Asha Debnath
  12. [email protected] : আতিফ সালেহীন : Md Atif Salehin
  13. [email protected] : মোঃ আতিকুর রহমান : Md Atikur Rahman
  14. [email protected] : Md Atikur Rahman : Md Atikur Rahman
  15. [email protected] : আব্দুর রহিম : Abdur Rahim Badsha
  16. [email protected] : champa :
  17. [email protected] : এস. মাহদীর অনিক : Sulyman Mahadir Anik
  18. [email protected] : Admin : Md Nurul Amin Sikder
  19. [email protected] : নিলয় দাস : Niloy Das
  20. [email protected] : এমারত খান : Emarot Khan
  21. [email protected] : ফারিয়া তাবাসসুম : Faria Tabassum
  22. [email protected] : ফারাজানা পায়েল : Farjana Akter Payel
  23. [email protected] : ফাতেমা খানম ইভা : Fatema Khanom
  24. [email protected] : gafur :
  25. [email protected] : জব সার্কুলার স্টাফ : Job Circular Staff
  26. [email protected] : হাবিবা বিনতে হেমায়েত : Habiba Binte Namayet
  27. [email protected] : হাসান উদ্দিন রাতুল : Hasan Uddin Ratul
  28. [email protected] : মোঃ ইব্রাহিম হিমেল : Md Ebrahim Himel
  29. [email protected] : Jannat Akter ripa 11 :
  30. [email protected] : জয় পোদ্দার : Joy Podder
  31. [email protected] : জুয়াইরিয়া ফেরদৌসী : Juairia Ferdousi
  32. [email protected] : kaiumregan :
  33. [email protected] : এল. মিম : Rahima Latif Meem
  34. [email protected] : Lamiya :
  35. [email protected] : Md Mamtaz Hasan : Md Mamtaz Hasan
  36. [email protected] : মোঃ মানিক মিয়া : Md Manik Mia
  37. [email protected] : Mashuque Muhammad : Mashuque Muhammad
  38. [email protected] : মোঃ আশিকুর রহমান : MD ASHIKUR RAHMAN
  39. [email protected] : Md. Habibur Rahman :
  40. [email protected] : রেদোয়ান গাজী : MD. Redoan Gazi
  41. [email protected] : Md.sumon :
  42. [email protected] : mdtanvirislam360 :
  43. [email protected] : মিকাদাম রহমান : Mikadum Rahman
  44. [email protected] : মাহমুদা হক মিতু : Mahmuda Haque Mitu
  45. [email protected] : momin sagar :
  46. [email protected] : মৌসুমী পাল : Mousumee paul
  47. [email protected] : মৃদুল আল হামদ : Mridul Al Hamd
  48. [email protected] : Muhammad Sadik :
  49. [email protected] : নজরুল ইসলাম : Nazrul Islam
  50. [email protected] : এন এইচ দ্বীপ : Nahid Hasan Dip
  51. [email protected] : Nurmohammad :
  52. [email protected] : Nurmohammad Islam :
  53. [email protected] : ononto :
  54. [email protected] : পায়েল মিত্র : Payel Mitra
  55. [email protected] : প্রজ্ঞা পারমিতা দাশ : Pragga Paromita Das
  56. [email protected] : প্রান্ত দাস : pranto das
  57. [email protected] : পূজা ভক্ত অমি : Puja Bhakta Omi
  58. [email protected] : ইরফান আহমেদ রাজ : Md Rabbi Khan
  59. [email protected] : রবিউল ইসলাম : Rabiul Islam
  60. [email protected] : রাকিবুল হাসান রাহাত : রাকিবুল হাসান রাহাত
  61. [email protected] : রুকাইয়া করিম : Rukyia Karim
  62. [email protected] : সাব্বির হোসেন : Sabbir Hossain
  63. [email protected] : Sabrin :
  64. [email protected] : সাদিয়া আফরিন : Sadia Afrin
  65. [email protected] : সাদিয়া আহম্মেদ তিশা : Sadia Ahmed Tisha
  66. [email protected] : Sajida khatun :
  67. [email protected] : সাকিব শাহরিয়ার ফারদিন : Sakib Shahriar Fardin
  68. [email protected] : সিফাত জামান মেঘলা : Sefat Zaman Meghla
  69. [email protected] : shakilabdullah :
  70. [email protected] : সিদরাতুল মুনতাহা শশী : Sidratul Muntaha
  71. [email protected] : হাসান আল-আফাসি : Hasan Alafasy
  72. [email protected] : সাদ ইবনে রহমান : Shad Ibna Rahman
  73. [email protected] : শুভ রায় : Shuvo Roy
  74. [email protected] : Shuvo dey :
  75. [email protected] : Sikder N. Amin : Md. Nurul Amin Sikder
  76. [email protected] : SNA Tech : SNA Tech
  77. [email protected] : সৈয়দ মেজবা উদ্দিন : Syed Mejba Uddin
  78. [email protected] : ইসরাত কবির তামিম : Israt Kabir Tamim
  79. [email protected] : তানবিন কাজী : Tanbin
  80. [email protected] : Tarikul Islam : Tarikul Islam
  81. [email protected] : Tawhidal :
  82. [email protected] : তাইয়্যেবা অর্নিলা : Tayaba Ornila
  83. [email protected] : tohomina :
  84. [email protected] : Toma : Sweety Akter
  85. [email protected] : toshinislam74 : Md Toshin Islam Sagor
  86. [email protected] : এম. কে উজ্জ্বল : Ujjal Malakar
কীভাবে একটি মানসম্পন্ন আর্টিকেল লিখতে হয়? -আর্টিকেল রাইটিং টিপস
বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২, ০৫:২৮ অপরাহ্ন
আপডেট :

কীভাবে একটি মানসম্পন্ন আর্টিকেল লিখতে হয়? -আর্টিকেল রাইটিং টিপস

কীভাবে পাঠক ফ্রেইন্ডলি আর্টিকেল রাইটিং শিখবেন

সার্চ ইঞ্জিন বান্ধব মানসম্পন্ন আর্টিকেল কীভাবে লিখতে হয় তার কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস সম্পর্কে আজকে আমরা জানবো। বর্তমানে ইন্টারনেটে লেখালেখির ক্ষেত্রে, প্রচুর প্রতিযোগিতার সম্মূখীন হতে হয়। আমরা যা লিখি না কেনো সেটা যদি ইউনিক ও গঠনমূলক না হয়, তহালে পাঠক লেখাটি পড়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে কারন এই একই লেখা সে ইন্টারনেটে বহুবার পড়েছে।

তাই আমাদের লেখায় নিয়ে আসতে হবে নতুনত্ব। আর্টিকেল হতে হবে সার্চ ইঞ্জনি অপটিমাইজ। আর্টিকেলে ব্যবহার করতে হবে উপযুক্ত শব্দ, অর্থপূর্ণ বাক্য, আকর্ষণীয় টাইটেল ও যথোপযুক্ত কীওয়ার্ড। সেই সাথে আর্টিকেলটি হতে হবে ইউনিক ও পাঠক ফ্রেইন্ডলি। সুতরাং একটি মানসম্পন্ন সেরা আর্টিকেল লিখতে হলে এর পিছনে নির্দিষ্ট সময় বিনিয়োগ করতে হবে, রিসার্চ করতে হবে ও প্রচুর অনুশীলন করতে হবে।

চলুন তাহলে নিচের লেখাটি পড়ে জেনে নেই “কীভাবে একটি মানসম্পন্ন আর্টিকেল লিখতে হয়”। শুরু করার আগে যারা “আর্টিকেল রাইটিং কী? কীভাবে বাংলায় আর্টিকেল লিখে অনলাইনে আয় করবেন?” আর্টিকেলটি পড়েন নাই তারা লিংকে ক্লিক করে পড়ে নিন।

কীভাবে একটি মানসম্পন্ন আর্টিকেল লিখতে হয়?

একটি মানসম্পন্ন সেরা আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে আপনি যে বিষয়বস্তু নিয়ে লিখতে চান বা লিখতে পারবেন সে সম্পর্কে আপনার কতটুকু ধারণা আছে, বিষয়বস্তুর উপর পর্যাপ্ত তথ্য আপনি কোথা থেকে নিবেন? কীভাবে তথ্যগুলো আর্টিকেলে সাজিয়ে লিখবেন? এর জন্য সঠিক পরিকল্পনা করা অবশ্যই প্রয়োজন।

বর্তমানে আপনার নির্বাচিত বিষয়বস্তুর চাহিদা কেমন, ভবিষ্যতে এই বিষয়ের উপর আরও কোনো আর্টিকেল লেখার সুযোগ আছে কি না ইত্যাদি বিষয়ে পূর্ব থেকেই পরিকল্পনা করা উচিত।

রিসার্চ বা অনুসন্ধান করাঃ

যে বিষয়ে আপনার কোন ধারনা নেই সে বিষয় নিয়ে লেখা উচিত নয়। বিষয়বস্তুর উপর ভালো দক্ষতা অর্জন ও পর্যাপ্ত তথ্য উপাত্ত সংগ্রহের জন্য আপনাকে প্রচুর সিসার্চ করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে যে বিষয়বস্তুর উপর লিখতে চান, তার কী ওয়ার্ড লিখে গুগলে সার্চ দিন। দেখবেন ঐ নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর গুগলে প্রচুর লেখা আছে, সেখান থেকে আপনি আইডিয়া নিয়ে নিজের সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে লিখতে পারেন। কখনওই কোন ওয়েবসাইটের লেখা কপি করা ঠিক নয়, তাতে আপনার লেখাটি সার্চ ইঞ্জিনে র‌্যাংক করবে না। প্রয়োজনে রি-রাইট করুন কিন্তু কোন কিছু হুবাহু কপি উচিৎ নয়। রিসার্চ ছাড়া কখনোই ভাল আর্টিকেল রাইটিং শিখতে পারবেন না। আপনার আর্টিকেলকে সমৃদ্ধ ও তথ্য বহুল করে পাঠকপ্রিয়তা অর্জনের জন্য প্রচুর তথ্য সংগ্রহ ও পর্যাপ্ত জ্ঞান অর্জন করতে হবে।

আকর্ষণীয় শিরোনাম

আর্টিকেল পাঠকদের কাছে আকর্ষণীয় ভাবে তুলে ধরতে চাইলে এর জন্য অবশ্যই একটি যথোপযুক্ত শিরোনাম বাছাই করতে হবে। শিরোনাম দেখে বেশিরভাগ পাঠকরা সিদ্ধান্ত নেয় সে আর্টিকেলটি পড়বে কিনা।

শিরোনাম যথাসম্ভব আকর্ষনীয় ও সুন্দর হতে হয় যা দেখে পাঠক ধারনা নিবে আর্টিকেলের লিংকে ক্লিক করবে কি করবে না। এসইও ফ্রেইন্ডলি শিরোনাম লেখার একটা নির্দিষ্ট নিয়মও আছে। শিরোনামটি অবশ্যই  ৬-৯ শব্দের মধ্যে হলে ভালো হয় এবং শিরোনামের মধ্যে মূল কী-ওয়ার্ড যেন থাকে। শিরোনামের শুরুতে কীওয়ার্ড রাখতে পারলে আরও ভালো হয়।

শিরোনাম লেখার সময় একটু চিন্তা ভাবনা করে লেখা প্রয়োজন। আর্টিকেলের শিরোনামের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখতে হবে কোনটি সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষনীয় হয়। যেভাবে লিখলে কী-ওয়ার্ড বেশি কার্যকর হয় সেভাবে লিখুন।

কীওয়ার্ড বা কীওয়ার্ড ফ্রেইজ নির্বাচন

কীওয়ার্ড হচ্ছে একটি শব্দ বা দুই-তিনটি শব্দ মিলে একটি শব্দগুচ্ছ আধুনিক নিয়মে এটাকে আমরা কীওয়ার্ড ফ্রেইজও বলতে পারি। এই কীওয়ার্ড বা কীওয়ার্ড ফ্রেইজ এর উপর ভিত্তি করেই আপনার সমস্ত আর্টিকেলটি লিখতে হয় এবং আর্টিকেলের সমস্ত উপাদান এই কীওয়ার্ড ফ্রেইজের সাথে কানেক্ট থাকবে।

সেরা মানের আর্টিকেল লেখার জন্য কি-ওয়ার্ড এর ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর্টিকেলে আপনি যে প্রধান কীওয়ার্ডটি ব্যবহার করবেন সেটিকে আর্টিকেল এর মধ্যে একটি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে সাাজাতে হয় যাকে কীওয়ার্ড ডেনসিটি বলে।

কি-ওয়ার্ড ডেনসিটি হলো আর্টিকেলে কীওয়ার্ড এর ঘনত্ব। কি-ওয়ার্ড ডেনসিটি ১%-২% এর বেশি না হওয়াই ভালো। অর্থাৎ প্রতি ১০০ ওয়ার্ড এর জন্য মিনিমাম ১ বার অথবা সর্বোচ্চ ২বার কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে করে আপনার আর্টিকেলটি সার্চে র‌্যাংকিং এ অনেক উপরে থাকবে। ৫-৬ দিন পর গুগল-এ সার্চ দিলে হয়তো প্রথম পৃষ্ঠায়ই পাওয়া যাবে। গুগল কী-ওয়ার্ড ডেনসিটি ১%-১.৫% মধ্যে থাকলে বেশি গুরুত্ব দেয় এর বেশি হলে ওভার অপটিমাইজ হিসেবে ধরে যা আর্টিকেলের জন্য শুভ নয়। সুতরাং বুঝতে পারছেন এটির গুরুত্ব কত।

আর্টিকেলে কীওয়ার্ড এর ব্যবহারঃ

১। টাইটেলে ১ বার
২। প্রথম প্যারায় বা ভুমিকায় ১ -২ বার
৩। প্রতি ১০০ ওয়ার্ডের মধ্যে ১-২ বার বা ২০০ ওয়ার্ডের মধ্যে ৩ বার
৪। উপসংহারে ১ বার

আর্টিকেল রাইটিং -এ বাক্যের ব্যবহারঃ

১। আর্টিকেল যথাসম্ভব সরল বাক্যে লেখা উচিৎ।
২। যৌগিক বাক্য ও জটিল বাক্য এড়িয়ে চলা ভালো।
৩। বাক্যের ওয়ার্ড সংখ্যা সর্বোচ্চ ২০।
৪। আর্টিকেল প্যারা করে লেখা, যাতে প্যারায় ১৫০ থেকে ২০০ ওয়ার্ড পর্যন্ত থাকে। কোন প্যারায় ৩০০ ওয়ার্ডের বেশি হলে ছোট করে সাব-টাইটেল দিলে ভালো হয়।

একই শব্দ দিয়ে বাক্য শুরু না করাঃ

একটানা বাক্যের শুরুতে একই শব্দের ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, একই শব্দটি দিয়ে একটানা বাক্য শুরু করলে পাঠক তার পড়ার ছন্দ হারিয়ে ফেলবে। ফলে সে আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ না পড়ে বেরিয়ে যাবে। আমরা যদি নিচের উদাহরণটি লক্ষ করি তাহলে বিষয়টি আরো ক্লিয়ার হবে-

উদাহরণঃ “আমরা শহরে শপিং করতে গিয়েছিলাম নতুন কিছু পোশাক কিনতে। এবং তারপরে আমরা রাতের খাবার খেয়েছি। এবং তারপরে আমরা পার্কে বেড়াতে গেলাম। এবং তারপরে আমরা সিনেমা দেখতে গেলাম। তবে সিনেমাটি বিরক্তিকর ছিল। তবে আমাদের তখনও ভাল সময় কাটছিল। তবে আমরা ১১ টা বাজে বাড়িতে গেলাম। এবং তারপরে আমরা ঘুমাতে গেলাম।”

উপরের লেখাটিতে একই শব্দ বার বার ব্যবহারের কারনে পড়তে খুবই বিরক্তিকর লাগছে। তাই আমরা পরপর বাক্য একই শব্দ দিয়ে শুরু করা থেকে বিরত থাকবো।

সঠিক বানান ও ব্যাকরণঃ

সবসময় বানান সঠিক হচ্ছে কিনা সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখা প্রয়োজন। লেখায় যদি প্রচুর ভুল বানান থাকে তাহলে পাঠক পড়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। যেকোনো লেখাতে ব্যাকরনের শুদ্ধ প্রয়োগ অবশ্যই বজায় রাখতে হবে। যদিও বাংলা আর্টিকেল এর ব্যাকরণ গত তেমন একটা সমস্যা হয়না তারপরও সতর্ক হতে হবে।

ফিচার ইমেজঃ

আর্টিকেলে এর বিষয়বস্তুর সাথে মিল রেখে যদি একটি ইমেজ যোগ করা হয়, তাহলে লেখাটি আরও বেশি প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয় হবে। আমরা জানি একটি ছবি ১০০০ শব্দের সমান। বেশিরভাগ পাঠকই সুন্দর ছবি দেখে আর্টিকেল এর প্রতি আকৃষ্ট হয়। যেকোন সুন্দর ও মানসম্পন্ন ছবির প্রতিকৃতি পাঠককে বিষয়টি সম্পর্কে আগ্রহী করে তুলতে সাহায্য করে।

পরিসংখ্যান যোগঃ

আপনি যে বিষয়ে লিখবেন সে বিষয়ে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক সেক্টর থেকে কোনো তথ্য বা পরিসংখ্যান যোগ করলে তা আরো বেশি তথ্যবহুল ও পাঠক প্রিয় হবে।

আর্টিকেলের ফিনিশিংঃ

প্রতিটি আর্টিকেলের সুন্দর একটি ফিনিশিং থাকে। এখানে আর্টিকেলের বিষয়বস্তুর উপর লেখকের নিজস্ব মতামত থাকতে পারে যা পাঠককে আর্টিকেলটি সম্পর্কে ক্লিয়ার ধারনা দিবে। এতে পাঠক আপনার অন্যান্য কন্টেন্ট গুলো পড়ার প্রতি আরও আকৃষ্ট হবে। কথায় আছে, শেষ ভালো যার সব ভালো তার তাই শেষটাও ভাল করে শেষ করতে হবে।

তথ্য সূত্র লিখুনঃ

আর্টিকেলটি লেখার সময় যেসব জায়গা থেকে আইডিয়া নেয়া হয়েছে অবশ্যই সেসব ওয়েবসাইট, ব্লগ বা বই ইত্যাদির নাম তথ্যসূত্রে উল্লেখ থাকা একটি সেরা আর্টিকেল এর বৈশিষ্ট্য। একজন আদর্শ লেখকের নৈতিক দায়িত্ব, সেই সাথে কপিরাইট আইন থেকেও সেইভ থাকা যায়।

অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় বিভিন্ন একাডেমিক বই অথবা ই-বুক থেকে আইডিয়া নেয় হয়, সেক্ষত্রে অথরকে লেখার শেষে উপযুক্ত ক্রেডিট দেয়া উচিৎ।

বেশি বেশি পড়ার অভ্যাস তৈরিঃ

যদি জিজ্ঞেস করা হয়, “কীভাবে একটি ভালো মানের আর্টিকেল লিখতে?” আমি বলবো বেশি বেশি পড়া। আমাদের পড়ার অভ্যাস নেই বললেই চলে। কিন্তু ভালো লেখার পূর্বশর্ত হলো আপনাকে বেশি বেশি পড়তে হবে। যে যত বেশি পড়বে সে তত ভাল লিখতে পারবে। কারন পড়লে ব্রেইন এর এনালাইটিক্যাল থিংকিং বৃদ্ধি পায়। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আমরা যা কিছু পড়ি তা শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য। কিন্তু যেটা প্রয়োজন তা হলো বেশি বেশি শিক্ষামূলক আর্টিকেল, দৈনিক পত্রিকার কন্টেন্ট, সম্পাদকীয়, ইবুক ইত্যাদি পড়ার অভ্যাস করা। গবেষনায় দেখা যায়, যারা বেশি বেশ পড়ার অভ্যাস তাদের লেখাও অনেক বেশি মান সম্মত ও অর্থপূর্ণ।

সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ও কমেন্টের অভ্যাস করাঃ

বিভিন্ন ধরনের আর্টিকেলে বা সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে বা দৈনিক পত্রিকার কন্টেন্টে কমেন্ট করার অভ্যাস থাকা ভালো। কারন একটি সুন্দর গঠনমূলক কমেন্ট করতে গেলেও আমাদের চিন্তা করতে হবে। আমরা অনায়াসেই দুই বা তিন, চার শব্দের কমেন্ট করতে পারি কিন্তু দুই তিন বাক্যের একটি কমেন্ট করতে গেলে লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়তে হয়। সেক্ষেত্রে আমাদের ব্রেইনের এনালাইটিক্যাল থিংকিং বৃদ্ধি পাবে। তাই ভালো আর্টিকেল লেখার জন্য বেশি বেশি গঠনমূলক কমেন্ট করার প্রাকটিস করা উচিৎ। সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে নিয়ে বা শিক্ষামূলক কোন বিষেয় আইডিয়া বা মতামত রেফারেন্সসহ টাইমলাইনে শেয়ার করার অভ্যাস করতে পারি।

সর্বশেষ, কীভাবে একটি সেরা আর্টিকেল লিখতে হয় সে সম্পর্কে আমরা কিছু জানলাম। আর্টিকেল লেখা হলো একটা শিল্পের মতো। ফ্রিল্যান্সিং-এ অন্যান্য সেক্টরের মতো আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রেও অধ্যাবসায়ের কোন বিকল্প নেই। কোন কিছুই সহজলভ্য নয়, সফলতার জন্য প্রয়োজন ধৈর্য্য ধরে লেগে থাকা ও দক্ষতা অর্জন করা আর দক্ষতা কখনও রাতিরাতি অর্জন করা সম্ভব নয় এর জন্য নির্দিষ্ট সময়ের প্রয়োজন।

আরও পড়ুনঃ

About: Sikder N. Amin

Md. Nurul Amin Sikder also known as Sikder N. Amin Founder and owner of Glorious IT Academy, SNA Tech and Freelancerwing.com, He is an Entrepreneur and ICT Instructor. He is also publisher of the DigiBangla24.com. He loves teaching, creating content and helping his students and clients to reach their potential.

এই প্রবন্ধটা কি সাহায্যকর ছিল?
হ্যানা

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মন্তব্য লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই রকম আরো খবর
error: Content is Copyright Protected !