1. [email protected] : আল আহাদ নাদিম : A.K.M. Al Ahad Nadim
  2. [email protected] : আশিকুর রহমান খান : Ashikur Rahman Khan
  3. [email protected] : আবুবকর আল রাজি : Abubakar Al Razi
  4. [email protected] : আদনান হোসেন : Adnan Hossain
  5. [email protected] : আফসানা মিমি : Afsana Mimi
  6. [email protected] : আঁখি রহমান : Akhi Rahman
  7. [email protected] : অমিক শিকদার : Amik Shikder
  8. [email protected] : আমজাদ হোসেন সাজ্জাদ : Amjad Hossain Sajjad
  9. [email protected] : অনুপ চক্রবর্তী : Anup Chakrabartti
  10. [email protected] : আশা দেবনাথ : Asha Debnath
  11. [email protected] : আতিফ সালেহীন : Md Atif Salehin
  12. [email protected] : মোঃ আতিকুর রহমান : Md Atikur Rahman
  13. [email protected] : Md Atikur Rahman : Md Atikur Rahman
  14. [email protected] : আব্দুর রহিম : Abdur Rahim Badsha
  15. [email protected] : champa :
  16. [email protected] : এস. মাহদীর অনিক : Sulyman Mahadir Anik
  17. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : Md Nurul Amin Sikder
  18. [email protected] : নিলয় দাস : Niloy Das
  19. [email protected] : এমারত খান : Emarot Khan
  20. [email protected] : ফারিয়া তাবাসসুম : Faria Tabassum
  21. [email protected] : ফারাজানা পায়েল : Farjana Akter Payel
  22. [email protected] : ফাতেমা খানম ইভা : Fatema Khanom
  23. [email protected] : gafur :
  24. [email protected] : জব সার্কুলার স্টাফ : Job Circular Staff
  25. [email protected] : হাবিবা বিনতে হেমায়েত : Habiba Binte Namayet
  26. [email protected] : হাসান উদ্দিন রাতুল : Hasan Uddin Ratul
  27. [email protected] : মোঃ ইব্রাহিম হিমেল : Md Ebrahim Himel
  28. [email protected] : Jannat Akter ripa 11 :
  29. [email protected] : জয় পোদ্দার : Joy Podder
  30. [email protected] : জুয়াইরিয়া ফেরদৌসী : Juairia Ferdousi
  31. [email protected] : kaiumregan :
  32. [email protected] : এল. মিম : Rahima Latif Meem
  33. [email protected] : Lamiya :
  34. [email protected] : মোঃ মানিক মিয়া : Md Manik Mia
  35. [email protected] : Mashuque Muhammad : Mashuque Muhammad
  36. [email protected] : মোঃ আশিকুর রহমান : MD ASHIKUR RAHMAN
  37. [email protected] : রেদোয়ান গাজী : MD. Redoan Gazi
  38. [email protected] : Md.sumon :
  39. [email protected] : mdtanvirislam360 :
  40. [email protected] : মিকাদাম রহমান : Mikadum Rahman
  41. [email protected] : মাহমুদা হক মিতু : Mahmuda Haque Mitu
  42. [email protected] : মৌসুমী পাল : Mousumee paul
  43. [email protected] : মৃদুল আল হামদ : Mridul Al Hamd
  44. [email protected] : নজরুল ইসলাম : Nazrul Islam
  45. [email protected] : এন এইচ দ্বীপ : Nahid Hasan Dip
  46. [email protected] : Nurmohammad :
  47. [email protected] : Nurmohammad Islam :
  48. [email protected] : ononto :
  49. [email protected] : পায়েল মিত্র : Payel Mitra
  50. [email protected] : প্রজ্ঞা পারমিতা দাশ : Pragga Paromita Das
  51. [email protected] : প্রান্ত দাস : pranto das
  52. [email protected] : পূজা ভক্ত অমি : Puja Bhakta Omi
  53. [email protected] : ইরফান আহমেদ রাজ : Md Rabbi Khan
  54. [email protected] : রবিউল ইসলাম : Rabiul Islam
  55. [email protected] : রুকাইয়া করিম : Rukyia Karim
  56. [email protected] : সাব্বির হোসেন : Sabbir Hossain
  57. [email protected] : সাদিয়া আফরিন : Sadia Afrin
  58. [email protected] : সাদিয়া আহম্মেদ তিশা : Sadia Ahmed Tisha
  59. [email protected] : Sajida khatun :
  60. [email protected] : সাকিব শাহরিয়ার ফারদিন : Sakib Shahriar Fardin
  61. [email protected] : সিফাত জামান মেঘলা : Sefat Zaman Meghla
  62. [email protected] : shakilabdullah :
  63. [email protected] : সিদরাতুল মুনতাহা শশী : Sidratul Muntaha
  64. [email protected] : হাসান আল-আফাসি : Hasan Alafasy
  65. [email protected] : সাদ ইবনে রহমান : Shad Ibna Rahman
  66. [email protected] : শুভ রায় : Shuvo Roy
  67. [email protected] : Shuvo dey :
  68. [email protected] : Sikder N. Amin : Md. Nurul Amin Sikder
  69. [email protected] : SNA Tech : SNA Tech
  70. [email protected] : সৈয়দ মেজবা উদ্দিন : Syed Mejba Uddin
  71. [email protected] : ইসরাত কবির তামিম : Israt Kabir Tamim
  72. [email protected] : তানবিন কাজী : Tanbin
  73. [email protected] : Tawhidal :
  74. [email protected] : তাইয়্যেবা অর্নিলা : Tayaba Ornila
  75. [email protected] : tohomina :
  76. [email protected] : Toma : Sweety Akter
  77. [email protected] : toshinislam74 :
  78. [email protected] : এম. কে উজ্জ্বল : Ujjal Malakar
ধর্ষণ বিস্তারে দিশেহারা জাতিঃ সমাধান কি? মিজানুর রহমান আজহারি
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন
আপডেট :
আদর্শ হিন্দু হোটেল ও ইন্দুবালা ভাতের হোটেল -বাংলা সাহিত্যের মানিকজোড় নফসের গোলামি করা: নফস ও তাকদির সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে যা বলা হয়েছে ইসলামে দাস-দাসীর প্রথা এবং প্রচলিত ভুল ধারণা! ইয়াযিদকে নিন্দা করার বৈধতা ও বিরুদ্ধবাদীদের যুক্তিখণ্ড! সুডোকু: সুডোকুর ইতিহাস এবং বিশ্ব সুডোকু দিবস ইমেইল মার্কেটিং কি? কিভাবে অর্থ উপার্জন করবেন ইমেইল মার্কেটিং করে? ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ, প্রতিকার এবং কোভিডকালীন ডেঙ্গু সৃষ্ট জটিলতা মহান আল্লাহ তায়া’লা দেখতে কেমন? এ সম্পর্কিত কয়েকটি বিশুদ্ধ আকিদা! App One Plus: যে অ্যাপটি প্রতিটি স্মার্টফোনে থাকা প্রয়োজন মহান আল্লাহ কোথায় আছেন, আরশের উপর নাকি সর্বত্র বিরাজমান?

ধর্ষণ বিস্তারে দিশেহারা জাতিঃ সমাধান কি? মিজানুর রহমান আজহারি

মিজানুর-রহমান-আজহারি
মিজানুর রহমান আজহারি

বাংলাদেশে প্রায় প্রতিদিন কোথাও না কোথাও ধর্ষণ হচ্ছে। নারীকে বিবস্ত্র করা হচ্ছে। এই দৃশ্য ধারন করে অনলাইনে ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। এই বর্বরতা সহ্য ক্ষমতার বাইরে। কি একটা অসুস্থ প্রজন্ম গড়ে উঠেছে এ দেশে! আমাদের পরিবারগুলোতে এভাবে ধর্ষক গড়ে উঠল আর আমরা কেউ টেরই পেলাম না। ভাবতেই গা শিউরে উঠছে। সাধারণ জনগণ না পারছে কইতে, না পারছে সইতে।

বিচার চেয়ে মানববন্ধন করতে গেলে সেখানে আইনশৃংখলা বাহিনীর বাধা। এভাবে বিচার চাইতে চাইতে ক্লান্ত জনগণ যখন বিচার করার দায়িত্ব নিজ হাতে তুলে নিবে তখন পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। তাই, ধর্ষণের নজিরবিহীন শাস্তি নিশ্চিত হোক— এটাই আজ গণমানুষের দাবী।

ধর্ষণ হচ্ছে একটি সেক্সুয়াল ক্রাইম বা সেক্সুয়াল ভায়োলেন্স। আদতে ধর্ষণ কোন যৌনতা নয়, এটা পুরুষের ক্ষমতার অপব্যবহার। আর ক্ষমতার ছায়াতলেই মূলত বেড়ে ওঠে ধর্ষকরা।

সাধারণত, মানুষ যেটা দেখে দেখে শিখে সেটা সে নিজে ট্রাই করে দেখতে চায়। সিনেমাতে পরিবারের সবাই মিলে ধর্ষণের দৃশ্য উপভোগ করা সমাজে এর চেয়ে ভালো কিছু হওয়ার তো কথা ছিল না। যা হওয়ার তাই তো হচ্ছে।

উঠতি তরুণ বয়সে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় ক্ষমতার স্বাদ পেলে— সে ক্ষমতা কে না খাটাতে চায়? দেশের আইন ও বিচারব্যবস্থা যখন ক্রিমিনাল ফ্রেন্ডলি হয়ে উঠে মূলত তখন অনিয়ন্ত্রিত ও মাত্রাতিরিক্ত উগ্র ক্ষমতার জোরেই এরা ধর্ষণের সাহস করে। ক্ষমতার বলে ও আইনের ফাঁকফোকর মাড়িয়ে এরা সব সময় থাকে ধরা-ছোঁয়ার আড়ালে।

বাংলাদেশের আবহাওয়া ও পরিবেশে একটি ছেলে অথবা মেয়ে গড়ে ১৪/১৫ বছর বয়সেই পরিপূর্ণ সেক্সুয়াল অ্যাবিলিটি লাভ করে থাকে। কিন্তু তারা বিয়ের পিড়িতে বসে আরো ১০/১৫ বছর পর। এই লম্বা সময় ধরে যৌন ক্ষুধা নিবারণের কোন বৈধ সুযোগ তাদের হাতে নেই। উপরন্তু বিয়ের প্রশ্ন উঠলেই আসে সামাজিক যতো নিয়ম কানুনের দোহাই।

যৌনশক্তি আল্লাহ তা’আলার দেয়া এক অমূল্য সম্পদ। এই সেন্সিটিভ এনার্জিকে যদি সঠিকভাবে ব্যবহার না করা হয় তবে এর অপব্যবহার হবে এটাই স্বাভাবিক। তার উপর যদি থাকে নৈতিক অধ:পতন এবং উগ্র ক্ষমতা প্রদর্শণের সুযোগ তাহলে তো ধর্ষণ ঠেকাবার আর কোন রাস্তাই খোলা নেই।

এদেশে প্রাপ্তবয়স্ক ছেলেরা বেশিরভাগ সময় সেক্সুয়ালি ওভার চার্জড হয়ে থাকে। বিজ্ঞাপনে আর বিলবোর্ডে সর্বদা শোভা পাচ্ছে স্বল্প বসনা নারী যেখানে তার দেহের আকর্ষণীয় সব উঁচুনিচু ভাঁজগুলো প্রেজেন্ট করা হচ্ছে, ক্রিকেট খেলার মাঝখানে চিয়ার্সগার্লসদের বেলি ড্যান্স, মুঠোফোনে সহজলভ্য সেক্সুয়াল কন্টেন্ট, ওয়েব সিরিজ, পর্নোগ্রাফি, অশ্লীল সিনেমা আরো কতো কি।

নারীদেহকে যারা সেক্স অবজেক্ট হিসেবে ভোগের সস্তা পণ্য করে উপস্থাপন করে এরা সবাই মূলত ধর্ষক। এই সেক্স অবজেক্ট দেখে দেখে তরুণরা ফুল্লি চার্জড হয়ে থাকে। কিন্তু হালাল পন্থায় এই এনার্জি রিলিজ করার কি তার কোন জায়গা আছে?? না, নেই ! ফলাফলস্বরূপ চলছে মাস্টারবেসন, বিবাহ বহির্ভূত শারিরীক সম্পর্ক, আর ক্ষমতা থাকলে বীরদর্পে ধর্ষণ। সংবাদমাধ্যম, গণমাধ্যম, ফেইসবুকের নিউজফিডে যেন একটাই নিউজ— ধর্ষণ! ধর্ষণ! আর ধর্ষণ!

প্রতিটি জাতীয় দৈনিকে যদি হত্যা ও ধর্ষণের জন্য আলাদা একটি পাতা নির্ধারিত থাকে, ওই পাতা কোনোদিন খালি থাকবে বলে মনে হয় না। প্রতিটি জেলায় প্রায় প্রতিদিন এজাতীয় ঘটনা ঘটছে। তাই, এই মহামারির প্রকোপ থেকে মুক্তি পেতে— বিয়েকে সহজ করুন, অশ্লীলতার সকল পথ বন্ধ করুন, উগ্র ক্ষমতার প্রয়োগ থামিয়ে দিন এবং সন্তানদের নৈতিকতা ও মানবিকতার সবক দিন।

দিনরাত তরুণসমাজকে কাছে আসার গল্প শোনাবেন, নোংরা রাজনীতির পাওয়ার গেইম শেখাবেন। আর ধর্ষণ করলে হই চই শুরু করবেন। ওয়াট অ্যা ডাবল স্ট্যান্ডার্ড ! নাটক, সিনেমা, বিজ্ঞাপন, বইপুস্তক এবং ইন্টারনেট সব যায়গায় নগ্নতা ও যৌনতায় ভরপুর থাকবে, বিয়ে কঠিন হবে, ক্ষমতার রাজনৈতিক মহড়া চলতে থাকবে আর কিছু ধর্ষককে ধরে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিলেই ধর্ষণ বন্ধ হয়ে যাবে এ ধারণা নিছক শিশুসুলভ ধারণা বলেই আমার কাছে মনে হয়।

মানুষকে মানুষ বানানো এতো সহজ কাজ নয়। আমি প্রায়ই বলে থাকি যে গরুর পেট থেকে বের হলেই সেটা গরু হয়, ছাগলের পেট থেকে বের হলেই সেটা ছাগল হয় কিন্তু মানুষের পেট থেকে বের হলেই সেটা মানুষ হয়ে যায়না বরং সেটাকে মানুষ বানাতে হয়।

মানুষকে মানুষ বানানো না গেলে তার মধ্যে পশুসুলভ আচরণ ডেভেলপ করে। তখন তার মধ্যে আর মনুষ্যত্ব থাকে না। এমনকি কখনো কখনো সে পশুকেও ছাড়িয়ে যায়। আর নিবিড় পরিচর্যা, নৈতিক সুশিক্ষা এবং মানবিক মূল্যবোধের চর্চা তাকে ধীরে ধীরে আলোকিত মহামানবে পরিণত করে।

তাই, মানুষকে মানুষ বানাতে দরকার নৈতিক শিক্ষা ও মানবিকতার চর্চা। পরিবারে, সমাজে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, রাষ্ট্রীয়ভাবে নৈতিক শিক্ষা ও মানবিকতার চর্চা করা খুব জরুরী।

যদি আমরা আসলেই সমাজ থেকে ধর্ষণ বন্ধ করতে চাই— তাহলে আমাদেরকে সামগ্রিক ব্যবস্থা পরিবর্তন করে অপরাধপ্রবণতা বিরোধী এবং মানবতাবান্ধব একটি সমাজব্যবস্থা কায়েম করতে হবে।

আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাও খোদাভীতি সম্পন্ন শিক্ষা ব্যবস্থা হতে হবে। শুধু তাই নয়, আগে শাসকশ্রেণী ও অভিভাবকদের নিজেদেরকে খোদাভীতিসম্পন্ন মানুষে পরিণত করতে হবে। তবেই কেবল সামগ্রিক ব্যবস্থার পরিবর্তন সম্ভব।

ধর্ষণ ঘটনার তীব্রতা বোঝাতে অনেকে লিখছেন— মধ্যযুগীয় বর্বরতাকে হার মানিয়েছে। কিন্তু মধ্যযুগীয় বর্বরতা বা আইয়্যামে জাহিলিয়াতের বর্বরতাকে কিভাবে সমাধান করা হয়েছিল সে বয়ান দিতে গেলে তো তখন তারা কানে কুলুপ এঁটে রাখে।

আসলে, মানব জাতির স্রষ্টা মহান আল্লাহ তা’আলাই ভালো জানেন যে সামাজিক ভারসাম্য অক্ষুন্ন রাখতে ব্যভিচার ও ধর্ষণের শাস্তি কেমন হওয়া উচিত। তাই ইসলামে ব্যভিচার ও ধর্ষণের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তাই, মানবিক সমাজব্যবস্থা, উন্নত চারিত্রিক মূল্যবোধ এবং অপরাধপ্রবণদের জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থাপণা দিয়েই মূলত রাসূলুল্লাহ (ﷺ‬) মধ্যযুগীয় বর্বরতা বা আইয়্যামে জাহিলিয়াতের বর্বরতাকে কল্যাণে ভরপুর এক মানবিক সমাজে রূপান্তর করেছিলেন এবং এক সোনালি যুগের গোড়াপত্তন করেছিলেন। যে সমাজব্যবস্থা আজও গোটা বিশ্ববাসীর জন্য অনুসরণীয় এবং অনুকরণীয়।

ধর্ষণ ইস্যুতে আরেকশ্রেণী আছে মিউচুয়াল কনসেন্ট নিয়া। কনসেন্ট নিয়া সম্পর্ক করলে নাকি কোন সমস্যা নাই। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে এই সম্পর্কের অবনতি ঘটলেই ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে পুরুষের বিরুদ্ধে। পুরুষরাও কম হয়রানির শিকার হচ্ছেনা।

যখন ফিজিক্যাল রিলেশন হয়, তখন সেটাকে প্রেম ও ভালোবাসা শব্দে ব্যক্ত করা হলেও সময়ের বিবর্তনে তা ধর্ষণ নাম ধারণ করে। এবং পরিণামে নারী নির্যাতন মামলাও হয়। ধর্ষণের ঘটনা দেশব্যাপী আলোচিত হওয়ার পর অনেক পুরুষকে ধর্ষণের অপবাদ দিয়ে ব্ল্যাকমেইলও করছে অনেক নারীরা, এমন খবরও উঠে এসেছে। এজন্যই ইসলাম বিবাহ বহির্ভূত সকল সম্পর্ককে হারাম করেছে।

গতকাল ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের সামনে কিছু তরুণীদের ধর্ষনবিরোধী একটি শ্লোগানে মুখরিত হতে দেখলাম। শ্লোগানটি ছিল এরকম—“এই দায়-শুধু তোর-তুই ধর্ষক”। প্রিয় বোনদের বলতে চাই— প্রকৃতপক্ষে ধর্ষণের জন্য অনেকগুলো ফ্যাক্টর দায়ী। শুধু একদিকে আঙ্গুল তোলাটা ইনসাফপূর্ণ নয়। নৈতিক শিক্ষার উন্নয়ন, ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ এবং আইনের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরেও অপরাধপ্রবণ, দুশ্চরিত্র, লম্পট ও বিকৃত রুচির কিছু লোক সমাজে থাকবেই।

যাদের অনিষ্ট থেকে বেঁচে থাকার জন্য আপনাদেরকেই সেইফটি ম্যাজারমেন্ট নিতে হবে। তাই, দয়া করে ঘরের বাইরে সব সময় নিজেকে শালীন পোশাকে আবৃত রাখুন। মনে রাখবেন হিজাব নারীর আভিজাত্য, সৌন্দর্য, লাজুকতা ও রুচিশীলতার প্রতীক। ইসলাম নারীকে কষ্ট দেয়ার জন্য হিজাবের বিধান দেয়নি বরং দিয়েছে রক্ষাকবচ হিসেবে।

নৈতিকতার অভাব, অশ্লীলতার প্রসার, স্বাধীন বিচারব্যবস্থার অনুপস্থিতি এবং ক্ষমতার দাপট প্রদর্শনের যে অপসংস্কৃতি দেশে চলে এসেছে তাতে খুব সহসা এ ধর্ষণ মহামারি থামানোর কোন সুযোগ নেই। এটা চলতে থাকবে। কিছু ঘটনা ভাইরাল হলে আমরা জানতে পারব আর বাকীগুলো চাপা পড়ে থাকবে।

তাই, এখন থেকেই আমরা সবাই সিরিয়াসলি সতর্ক না হলে এই ক্রাইসিস মোকাবিলা সম্ভব নয়। সর্বমহল থেকে প্রচেষ্টা চালাতে হবে। নৈতিক প্রজন্ম গড়ে তোলার কোন বিকল্প নাই। মানবিকতার চর্চা ও নৈতিকতার চর্চা ছাড়া ধর্ষণ ঠেকানো সম্ভব নয়। বিবেক জাগানিয়া ও মানবিক সত্তা বিকাশে সহায়ক শিক্ষাব্যবস্থা খুবই জরুরী।

পারিবারিক তারবিয়াত এবং প্রতিটি মুসলিম পরিবারে ইসলাম চর্চা নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে আমাদের কারো আদরের ভাইটি হয়ে উঠতে পারে ধর্ষক অথবা আমাদের আদরের বোনটি হয়ে যেতে পারে পরবর্তী ভিকটিম। তখন দিশেহারা হয়ে বিচার চাই বিচার চাই বলা ছাড়া আর কিইবা করার থাকবে?

তথ্যসূত্রঃ ডঃ মিজানুর রহমান আজহারি এর ভেরিফাইড ফেইজবুক পেইজ থেকে হুবাহু সংগৃহীত।

ছবিঃ সংগৃহীত

আরও পড়ুনঃ ধর্ষণের জন্য কি ধর্ষক বেশি দায়ী নাকি ধর্ষক হয়ে ওঠার কারণ গুলো?

About: নিজস্ব প্রতিবেদক

DigiBangla24 নিউজ ডেস্ক

এই প্রবন্ধটা কি সাহায্যকর ছিল?
হ্যানা

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মন্তব্য লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো খবর
error: Content is Copyright Protected !